ঈদে অতিরিক্ত অর্ডার না নিতে সদস্যদের প্রতি ই-ক্যাবের আহ্বান
ঈদকে সামনে রেখে ই-কমার্স সেবার মান বজায় রাখার আহবান জানিয়েছে ই-কমার্স এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ। বিশেষ করে স্বাস্থ্যবিধি মেনে সময়মত সঠিক পণ্য ডেলিভারী দিতে সদস্য প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন ই-ক্যাবের সভাপতি শমী কায়সার ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আব্দুল ওয়াহেদ তমাল।
মঙ্গলবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই আহ্বান জানানো হয়েছে। তবে কেবল আহ্বান জানানোই নয়, বিষয়টি নজরদারিতেও রাখা হয়েছে বলে ডিজিবাংলা-কে জানিয়েছেন ই-ক্যাব সাধারণ সম্পাদক।
এক প্রশ্নের জবাবে আব্দুল ওয়াহেদ তমাল বলেন, ঈদ উপলক্ষ্যে ই-কমার্স- এ কেনাকাটা কিছুটা বাড়েলেও প্রতি ঈদের তুলনায় বিক্রি এখনো ৬০ শতাংশ কম হচ্ছে। মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমে যাওয়ায় এমনটা হতে পারে।
এদিকে ই-ক্যাবের পক্ষ থেকে সদস্য প্রতিষ্ঠানগুলোকে দেওয়া বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘‘প্রতিটি প্রতিষ্ঠান যেন স্টকে থাকা পণ্য এবং ডেলিভারী ক্যাপাসিটির দিকে খেয়াল রেখে পন্যের অর্ডার গ্রহণ করে। অর্ডারকৃত পণ্য মান বজায় রেখে সময়মতো তা গ্রাহকের কাছে পৌঁছে দেয়ারও অনুরোধ করছি। আশা করি, ঈদের পণ্যগুলো অবশ্যই ঈদের আগে ক্রেতার বাসায় পৌঁছানো নিশ্চিত করবেন। পন্যের অর্ডারের সময় ক্রেতা যেন ডেলিভারী সময় সম্পর্কে জানতে পারে। সে ব্যাপারে সকল ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।’’
রিটার্ন এবং রিফান্ড পলিসি যেন দৃশ্যমান, স্বচ্ছ, ক্রেতা বান্ধব ও ভোক্তা অধিকার আইনের অনুকূলে হয় এ ব্যাপারে সজাগ থাকার আহবান জানানো হয়।
এছাড়াও যেসব শর্তে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ই-কমার্স পণ্য অনলাইনে বিক্রয় ও ডেলিভারীর অনুমতি দেয়া হয়। সেগুলো এবং স্বাস্থ্য বিধি মেনে নিজেদের ও ক্রেতাদের নিরাপদ রাখার অনুরোধ করা হয়। পরিস্থিতির কারণে কর্মীদের ছাঁটাই না করে কাজে লাগানোরও পরামর্শ দেয়া হয়।
প্রসঙ্গত, করোনার কারণে ই-কমার্স সেক্টরের ৯২ ভাগ উদ্যোক্তার ব্যবসা বন্ধ ছিল। কারণ এই সেক্টরে বেশীরভাগ ব্যবসা পোশাক ও গেজেটভিত্তিক। কিন্তু ই-ক্যাব কতৃক বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অনুমতির মধ্য দিয়ে ঈদ উপলক্ষ্যে স্টকে থাকা পণ্যগুলো বিক্রি ও ডেলিভারীর অনুমতি পায় অনলাইন প্রতিষ্ঠানগুলো। এখনো প্রায় ৮৫ ভাগ ব্যবসা বন্ধ রয়েছে। এছাড়া রমযানের ইফতার ও সেহেরীর জন্য সকাল ৬টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত রেস্টুরেন্ট ফুড ডেলিভারীর জন্য স্বাস্থ্যবিধি মেনে শুধুমাত্র রেস্তোরা সমূহের কিচেন খোলা রেখে অনলাইনে অর্ডারকৃত খাবার ডেলিভারী দেয়ারও অনুমতি দেয় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। এ ব্যাপারে সার্বিক প্রচেষ্টা চালায় ই-ক্যাব।